মূল বিষয়বস্তুতে যান
GazipurOur City  Our Stories, গাজীপুর হোম পেজ
খুঁজুনAdd Listing
ভাওয়াল রাজবাড়ির সাদা প্রাসাদ ভবন ও সামনের বাগান, জয়দেবপুর
ইতিহাসযাচাইকৃত

ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলা

সম্পাদকীয় দল · ১৪ অক্টোবর ২০২৬ · ৩ মিনিটের পড়া

ছবি: Jayantanth, CC BY 3.0

দার্জিলিংয়ে ‘মৃত’ ঘোষিত কুমার ফিরে এসে এস্টেট দাবি করলেন। সেই মামলা উপমহাদেশে আলোচিত হয়েছিল।

ভাওয়াল এস্টেট

ব্যাংলাপিডিয়া অনুযায়ী ভাওয়াল ছিল ঢাকা নওয়াব এস্টেটের পর পূর্ব বাংলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জমিদারি। ১৯১৭ সালের জরিপে এর আয়তন ছিল ৪,৫৯,১৬৩ একর। জয়দেবপুরেই ছিল এস্টেটের প্রধান কাছারি।

মামলার সূত্রপাত

রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ১৯০১ সালে মারা যান; তিন নাবালক পুত্র রণেন্দ্র, রমেন্দ্র ও রবীন্দ্র নারায়ণকে রেখে। ১৯০৯ সালে রমেন্দ্র নারায়ণ চিকিৎসার জন্য দার্জিলিং যান, সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে দাহ করা হয় বলে বলা হয়। অন্য দুই ভাইও অল্প সময়ে মারা যান এবং পরিবার প্রায় বংশহীন হয়ে পড়ে।

১৯২০ সালের শেষ দিকে প্রায় বারো বছর পর একজন সন্ন্যাসী ফিরে এসে নিজেকে রমেন্দ্র নারায়ণ দাবি করেন এবং এস্টেটের অধিকার চান। এই মামলা প্রায় এক দশক ধরে আলোচিত থাকে এবং পরে সাহিত্য, নাটক ও একাধিক ভারতীয় ভাষার চলচ্চিত্রের উপাদান হয়।

তারিখ ও খুঁটিনাটি নিয়ে একাধিক ধারাবাহিক বিবরণ আছে; এখানে ব্যাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ অনুসরণ করা হয়েছে।

সূত্র: Banglapedia: Bhawal Estate। সর্বশেষ যাচাই: ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আরও পড়ুন

ছবি পাওয়া যায়নি
ইতিহাস

১৯ মার্চ ১৯৭১: জয়দেবপুরের প্রতিরোধ

পাকিস্তানি বাহিনীর নিরস্ত্রীকরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয় সশস্ত্র প্রতিরোধে; অনেক সূত্র একে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ বলে।

১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ মিনিট