দার্জিলিংয়ে ‘মৃত’ ঘোষিত কুমার ফিরে এসে এস্টেট দাবি করলেন। সেই মামলা উপমহাদেশে আলোচিত হয়েছিল।
ভাওয়াল এস্টেট
ব্যাংলাপিডিয়া অনুযায়ী ভাওয়াল ছিল ঢাকা নওয়াব এস্টেটের পর পূর্ব বাংলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জমিদারি। ১৯১৭ সালের জরিপে এর আয়তন ছিল ৪,৫৯,১৬৩ একর। জয়দেবপুরেই ছিল এস্টেটের প্রধান কাছারি।
মামলার সূত্রপাত
রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ১৯০১ সালে মারা যান; তিন নাবালক পুত্র রণেন্দ্র, রমেন্দ্র ও রবীন্দ্র নারায়ণকে রেখে। ১৯০৯ সালে রমেন্দ্র নারায়ণ চিকিৎসার জন্য দার্জিলিং যান, সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে দাহ করা হয় বলে বলা হয়। অন্য দুই ভাইও অল্প সময়ে মারা যান এবং পরিবার প্রায় বংশহীন হয়ে পড়ে।
১৯২০ সালের শেষ দিকে প্রায় বারো বছর পর একজন সন্ন্যাসী ফিরে এসে নিজেকে রমেন্দ্র নারায়ণ দাবি করেন এবং এস্টেটের অধিকার চান। এই মামলা প্রায় এক দশক ধরে আলোচিত থাকে এবং পরে সাহিত্য, নাটক ও একাধিক ভারতীয় ভাষার চলচ্চিত্রের উপাদান হয়।
তারিখ ও খুঁটিনাটি নিয়ে একাধিক ধারাবাহিক বিবরণ আছে; এখানে ব্যাংলাপিডিয়ার সারসংক্ষেপ অনুসরণ করা হয়েছে।
সূত্র: Banglapedia: Bhawal Estate। সর্বশেষ যাচাই: ১৪ অক্টোবর ২০২৬
